আপেলের বিস্তারিত উপকারিতা নিচে দেওয়া হলো:
হার্টের স্বাস্থ্য: আপেলে থাকা পেকটিন নামক দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে [১, ৪, ১০]।
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: এটি হজমশক্তি উন্নত করে এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিক রেখে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে [৩, ৭, ৮]।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: আপেলে কম ক্যালোরি এবং উচ্চ ফাইবার থাকে, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে [২, ৮, ১১]।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে [১, ৫, ১৩]।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: আপেলে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে [৩, ৮, ১১]।
ক্যানসার প্রতিরোধ: আপেলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসারের ঝুঁকি (বিশেষ করে ফুসফুস, স্তন এবং অন্ত্রের ক্যানসার) কমাতে সাহায্য করতে পারে [৭, ১১, ১২]।
মস্তিষ্কের সুস্থতা: আপেলের পুষ্টি উপাদান মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে [১] এবং আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে [৬, ১১]।
দাঁতের যত্ন: আপেল চিবালে মুখের লালা উৎপাদন বাড়ে, যা দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং দাঁত মজবুত করে [১২]।
আপেল খাওয়ার সেরা সময়: সকালে আপেল খাওয়া সবচেয়ে বেশি উপকারী [৩]।
সতর্কতা: বেশি উপকার পেতে আপেল খোসাসহ খাওয়া উচিত, কারণ খোসায় প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে [৭]।